নিজেই সারুন হ্যান্ডসেট নানা কারণে হ্যান্ডসেটের সমস্যা হতে পারে যেকোনো
সময়ই। হার্ডওয়্যারের সমস্যা বাদে সাধারণ সমস্যাগুলো চাইলে নিজেই সারিয়ে
নিতে পারেন।
বাংলা পড়া যাচ্ছে না?
মোবাইল থেকে যাঁরা ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন, তাঁদের অনেকেই ঢুঁ মারেন বাংলা সাইটে। গোল বাধে এখানেই। সংবাদের সাইটের পাশাপাশি ফেইসবুকে বাংলা পোস্ট পড়া যায় না অনেক সময়। হ্যান্ডসেটটি বাংলা ফন্ট সমর্থন করে না বলেই এমনটি হয়। এ সমস্যা কাটাতে সফটওয়্যার বা অ্যাপ ইনস্টলের দরকার নেই। ওপেরা মিনি ব্রাউজারে গিয়ে ঠিকানা অংশে টাইপ করুন Opera:config। এরপর OK অথবা GO to চাপলে চোখে পড়বে se bitmap image in complex fonts।

NO অবস্থায় থাকা সেটিংসটি বদলে YES করে দিন। এরপর ব্রাউজারে বাংলা ফন্ট যুক্ত সব ওয়েব পাতাই দেখা যাবে ঠিকঠাক।
জেনে নিন অন্দরের খবর
হ্যান্ডসেটের কোথাও কোনো অমিল পেলেই খোঁজ নিতে পারেন সেটটির অন্দরমহলে। তবে এতে খোলাখুলির ঝামেলা নেই। ডায়ালিং প্যাডে *#*#4636#*#* কোডটি টাইপ করলেই দেখাবে হ্যান্ডসেটের ভেতরের সব তথ্য। ব্যাটারির অবস্থাও জানা যাবে এই কোড থেকে। কোন অ্যাপ র্যামের কতখানি জায়গা নিল, তাও জেনে নিন। কেবল স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেই কাজে আসবে কোডটি।
হারানোর আগেই টুকে রাখুন
চলতে-ফিরতে যেকোনো সময়ই হারাতে পারে সাধের মোবাইল সেটটি। সেই সঙ্গে যোগাযোগের দরকারি নম্বরগুলোও। তবে হারানো ফোনটি ফিরে পাওয়ারও নজির আছে অনেক। ‘আইএমইআই’ নম্বরের মাধ্যমে হারানো ফোনটিকে শনাক্ত করা সম্ভব। তবে এ ব্যাপারে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই সহায়তা করবে। হারানো ফোনে সিম নম্বর পরিবর্তন করলেও ‘আইএমইআই’ নম্বর অপরিবর্তিত থাকে। ফলে ওই নম্বরের ফোনে যে সিমই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা শনাক্ত করা যায়। হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর জানতে *#০৬# নম্বরে ডায়াল করুন।
টাকা আছে, কিন্তু মেসেজ যাচ্ছে না
মোবাইলে পর্যাপ্ত টাকা আছে, কিন্তু মেসেজ পাঠানো যাচ্ছে না। এমন সমস্যার পড়েন অনেকেই। এর সমাধান পেতে যেতে হবে মোবাইলের ‘মেসেজ সেটিংস’-এ। এরপর নির্ধারিত অপশনে গিয়ে মোবাইল অপারেটরের মেসেজ সেন্টারের নম্বর বসিয়ে দিলেই হলো। বাংলাদেশের অপারেটরদের মধ্যে গ্রামীণফোনের জন্য ০১৭০০০০০৬০০, বাংলালিংকের জন্য ০১৯৯০০৫৫৭, রবির জন্য ০১৮০১০০০০০৪, এয়ারটেলের জন্য ০১৬০০০০৬০০১ এবং টেলিটকের জন্য ০১৫০১৫৯৯৯৯ নম্বর মেসেজ সেন্টারের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে মেসেজ সেন্টারের নম্বরের আগে কান্ট্রি কোড ‘+৮৮’ দিতে ভুলবেন না যেন।
এক টোকায় দরকারি তথ্য
মোবাইলের বিভিন্ন সেবা, প্যাকেজ ও অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য জানতে অনেকেই সাহায্য নেন কল সেন্টারের। তবে এসব সেবার অনেক কিছুই পাওয়া যাচ্ছে বিনা খরচে। মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওয়ার মেনুর নম্বরে ডায়াল করেই তাৎক্ষণিক জেনে নিতে পারবেন দরকারি তথ্য। যদি গ্রামীণফোনের গ্রাহক হন, *১১১# ডায়াল করেই মেনু পাবেন। এয়ারটেলে পাওয়ার মেনুর কোড *১২১#। *১৪০# ডায়াল করে প্রবেশ করা যাবে রবির মেনুতে। বাংলালিংকের গ্রাহক হলে *৭৮৯#, টেলিটক *১৫২# ও সিটিসেল *৮১১১ ডায়াল করতে হবে।
বিরক্তিকর কল থেকে মুক্তি
বিরক্তিকর কল-এসএমএসের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছে। সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছেন নম্বর বদলানোর। কিন্তু উপায় নেই। বদলালে সমস্যাটা বরং আরো বাড়বে বই কমবে না। দরকারি অনেক কলই যে আসে এ নম্বরেই। এ ছাড়া নম্বর বদলানোও তো স্থায়ী কোনো সমাধান নয়, নতুন নম্বরেও তো বিরক্তিকর কল কিংবা এসএমএস আসতে পারে! এমন সমস্যা আদতে বড় হলেও সমাধানটা কঠিন নয়। নম্বর খোলা রেখেই বিনা খরচে কল/এসএমএস ব্লক করে রাখতে পারবেন। অধিকাংশ হ্যান্ডসেটেই সুবিধাটি আছে। হ্যান্ডসেটের মেনুতে গিয়ে ‘ফায়ারওয়াল’ অপশনটি খুঁজুন। এখানেই পেয়ে যাবেন কল/এসএমএসের ব্লকের কায়দাকানুন।
পানিতে পড়ে গেলে
মোবাইল পানিতে পড়ে গেলে প্রথম কাজটিই হচ্ছে সেট থেকে ব্যাটারি খুলে ফেলা। পানি ঢুকলে সফটওয়্যার বা ভেতরের যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি সিম কার্ডটিও খুলে রাখুন। এরপর সেট থেকে পানি শুষে নেবে, এমন কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছুন। সম্ভব হলে কেসিং খুলে পানি মোছার চেষ্টা করুন। সেট থেকে পুরোপুরি পানি শোষণ হয়েছে- এমনটি নিশ্চিত হলে তবেই ব্যাটারি সংযোগ দিয়ে সেটটি স্বাভাবিকভাবে চালু করুন।
ইন্টারনেট সংযোগ পাচ্ছে না?
ইন্টারনেট প্যাকেজ চালু করেছেন, অথচ মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ পাচ্ছেন না। যদি হ্যান্ডসেটটি ইন্টারনেট ব্যবহার উপযোগী হয়, তাহলে সমস্যা কিন্তু এর কনফিগারেশনে। স্মার্টফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে ওয়ারলেস অ্যান্ট নেটওয়ার্কের ভেতর ‘মোবাইল নেটওয়ার্ক’ অংশে গেলেই কনফিগারেশন বদলে দেওয়া যাবে। সেখানে ‘ডাটা কানেকশন’ সেটিংস ‘অফ’ থাকলে তা ‘অন’ করতে হবে। এরপর এক্সেস পয়েন্ট নেটওয়ার্কে (এপএন) গিয়ে মোবাইল অপারেটরের নির্ধারিত কোড প্রবেশ করাতে হবে। গ্রামীণফোনের সংযোগ থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চাইলে এপিএন হবে gpinternet, আর অন্য অপারেটরের ক্ষেত্রে শুধু internet লিখে সেট করলেই হবে। অনেক ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ডায়ালিং কোডেরও দরকার হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন *৯৯***১# অথবা *৯৯*১#। শুধু স্মার্টফোনের বেলায় না, সাধারণ ইন্টারনেটবান্ধব মোবাইলেও এমন সমস্যা হতে পারে।
মোবাইলের ধীর গতি
হঠাৎ মোবাইলের গতি ধীর হয়ে গেছে? ‘ফাংশন’ স্বাভাবিক গতিতে কাজ করছে না? এমনটি হলে ফোন মেমোরিতে পর্যাপ্ত জায়গা খালি আছে কি না, সেটা দেখুন। সাধারণত ফোনের মেমোরিতে পাঁচ শতাংশ বা এরও কম জায়গা খালি থাকলে গতি ধীর হয়। এর সমাধান হচ্ছে ফোন মেমোরির জায়গা বাড়ানো।
এটা দুভাবে করতে পারেন। অপ্রয়োজনী ফাইল মুছে ফেলে কিংবা দরকারি ফাইল ফোন মেমোরি থেকে এক্সটার্নাল মেমোরিতে স্থানান্তর করে।
বাংলা পড়া যাচ্ছে না?
মোবাইল থেকে যাঁরা ইন্টারনেট ব্রাউজ করেন, তাঁদের অনেকেই ঢুঁ মারেন বাংলা সাইটে। গোল বাধে এখানেই। সংবাদের সাইটের পাশাপাশি ফেইসবুকে বাংলা পোস্ট পড়া যায় না অনেক সময়। হ্যান্ডসেটটি বাংলা ফন্ট সমর্থন করে না বলেই এমনটি হয়। এ সমস্যা কাটাতে সফটওয়্যার বা অ্যাপ ইনস্টলের দরকার নেই। ওপেরা মিনি ব্রাউজারে গিয়ে ঠিকানা অংশে টাইপ করুন Opera:config। এরপর OK অথবা GO to চাপলে চোখে পড়বে se bitmap image in complex fonts।
NO অবস্থায় থাকা সেটিংসটি বদলে YES করে দিন। এরপর ব্রাউজারে বাংলা ফন্ট যুক্ত সব ওয়েব পাতাই দেখা যাবে ঠিকঠাক।
জেনে নিন অন্দরের খবর
হ্যান্ডসেটের কোথাও কোনো অমিল পেলেই খোঁজ নিতে পারেন সেটটির অন্দরমহলে। তবে এতে খোলাখুলির ঝামেলা নেই। ডায়ালিং প্যাডে *#*#4636#*#* কোডটি টাইপ করলেই দেখাবে হ্যান্ডসেটের ভেতরের সব তথ্য। ব্যাটারির অবস্থাও জানা যাবে এই কোড থেকে। কোন অ্যাপ র্যামের কতখানি জায়গা নিল, তাও জেনে নিন। কেবল স্মার্টফোনের ক্ষেত্রেই কাজে আসবে কোডটি।
হারানোর আগেই টুকে রাখুন
চলতে-ফিরতে যেকোনো সময়ই হারাতে পারে সাধের মোবাইল সেটটি। সেই সঙ্গে যোগাযোগের দরকারি নম্বরগুলোও। তবে হারানো ফোনটি ফিরে পাওয়ারও নজির আছে অনেক। ‘আইএমইআই’ নম্বরের মাধ্যমে হারানো ফোনটিকে শনাক্ত করা সম্ভব। তবে এ ব্যাপারে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই সহায়তা করবে। হারানো ফোনে সিম নম্বর পরিবর্তন করলেও ‘আইএমইআই’ নম্বর অপরিবর্তিত থাকে। ফলে ওই নম্বরের ফোনে যে সিমই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা শনাক্ত করা যায়। হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর জানতে *#০৬# নম্বরে ডায়াল করুন।
টাকা আছে, কিন্তু মেসেজ যাচ্ছে না
মোবাইলে পর্যাপ্ত টাকা আছে, কিন্তু মেসেজ পাঠানো যাচ্ছে না। এমন সমস্যার পড়েন অনেকেই। এর সমাধান পেতে যেতে হবে মোবাইলের ‘মেসেজ সেটিংস’-এ। এরপর নির্ধারিত অপশনে গিয়ে মোবাইল অপারেটরের মেসেজ সেন্টারের নম্বর বসিয়ে দিলেই হলো। বাংলাদেশের অপারেটরদের মধ্যে গ্রামীণফোনের জন্য ০১৭০০০০০৬০০, বাংলালিংকের জন্য ০১৯৯০০৫৫৭, রবির জন্য ০১৮০১০০০০০৪, এয়ারটেলের জন্য ০১৬০০০০৬০০১ এবং টেলিটকের জন্য ০১৫০১৫৯৯৯৯ নম্বর মেসেজ সেন্টারের জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে মেসেজ সেন্টারের নম্বরের আগে কান্ট্রি কোড ‘+৮৮’ দিতে ভুলবেন না যেন।
এক টোকায় দরকারি তথ্য
মোবাইলের বিভিন্ন সেবা, প্যাকেজ ও অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য জানতে অনেকেই সাহায্য নেন কল সেন্টারের। তবে এসব সেবার অনেক কিছুই পাওয়া যাচ্ছে বিনা খরচে। মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওয়ার মেনুর নম্বরে ডায়াল করেই তাৎক্ষণিক জেনে নিতে পারবেন দরকারি তথ্য। যদি গ্রামীণফোনের গ্রাহক হন, *১১১# ডায়াল করেই মেনু পাবেন। এয়ারটেলে পাওয়ার মেনুর কোড *১২১#। *১৪০# ডায়াল করে প্রবেশ করা যাবে রবির মেনুতে। বাংলালিংকের গ্রাহক হলে *৭৮৯#, টেলিটক *১৫২# ও সিটিসেল *৮১১১ ডায়াল করতে হবে।
বিরক্তিকর কল থেকে মুক্তি
বিরক্তিকর কল-এসএমএসের মাত্রা বেড়েই যাচ্ছে। সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছেন নম্বর বদলানোর। কিন্তু উপায় নেই। বদলালে সমস্যাটা বরং আরো বাড়বে বই কমবে না। দরকারি অনেক কলই যে আসে এ নম্বরেই। এ ছাড়া নম্বর বদলানোও তো স্থায়ী কোনো সমাধান নয়, নতুন নম্বরেও তো বিরক্তিকর কল কিংবা এসএমএস আসতে পারে! এমন সমস্যা আদতে বড় হলেও সমাধানটা কঠিন নয়। নম্বর খোলা রেখেই বিনা খরচে কল/এসএমএস ব্লক করে রাখতে পারবেন। অধিকাংশ হ্যান্ডসেটেই সুবিধাটি আছে। হ্যান্ডসেটের মেনুতে গিয়ে ‘ফায়ারওয়াল’ অপশনটি খুঁজুন। এখানেই পেয়ে যাবেন কল/এসএমএসের ব্লকের কায়দাকানুন।
পানিতে পড়ে গেলে
মোবাইল পানিতে পড়ে গেলে প্রথম কাজটিই হচ্ছে সেট থেকে ব্যাটারি খুলে ফেলা। পানি ঢুকলে সফটওয়্যার বা ভেতরের যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি সিম কার্ডটিও খুলে রাখুন। এরপর সেট থেকে পানি শুষে নেবে, এমন কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছুন। সম্ভব হলে কেসিং খুলে পানি মোছার চেষ্টা করুন। সেট থেকে পুরোপুরি পানি শোষণ হয়েছে- এমনটি নিশ্চিত হলে তবেই ব্যাটারি সংযোগ দিয়ে সেটটি স্বাভাবিকভাবে চালু করুন।
ইন্টারনেট সংযোগ পাচ্ছে না?
ইন্টারনেট প্যাকেজ চালু করেছেন, অথচ মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ পাচ্ছেন না। যদি হ্যান্ডসেটটি ইন্টারনেট ব্যবহার উপযোগী হয়, তাহলে সমস্যা কিন্তু এর কনফিগারেশনে। স্মার্টফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে ওয়ারলেস অ্যান্ট নেটওয়ার্কের ভেতর ‘মোবাইল নেটওয়ার্ক’ অংশে গেলেই কনফিগারেশন বদলে দেওয়া যাবে। সেখানে ‘ডাটা কানেকশন’ সেটিংস ‘অফ’ থাকলে তা ‘অন’ করতে হবে। এরপর এক্সেস পয়েন্ট নেটওয়ার্কে (এপএন) গিয়ে মোবাইল অপারেটরের নির্ধারিত কোড প্রবেশ করাতে হবে। গ্রামীণফোনের সংযোগ থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চাইলে এপিএন হবে gpinternet, আর অন্য অপারেটরের ক্ষেত্রে শুধু internet লিখে সেট করলেই হবে। অনেক ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ডায়ালিং কোডেরও দরকার হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন *৯৯***১# অথবা *৯৯*১#। শুধু স্মার্টফোনের বেলায় না, সাধারণ ইন্টারনেটবান্ধব মোবাইলেও এমন সমস্যা হতে পারে।
মোবাইলের ধীর গতি
হঠাৎ মোবাইলের গতি ধীর হয়ে গেছে? ‘ফাংশন’ স্বাভাবিক গতিতে কাজ করছে না? এমনটি হলে ফোন মেমোরিতে পর্যাপ্ত জায়গা খালি আছে কি না, সেটা দেখুন। সাধারণত ফোনের মেমোরিতে পাঁচ শতাংশ বা এরও কম জায়গা খালি থাকলে গতি ধীর হয়। এর সমাধান হচ্ছে ফোন মেমোরির জায়গা বাড়ানো।
এটা দুভাবে করতে পারেন। অপ্রয়োজনী ফাইল মুছে ফেলে কিংবা দরকারি ফাইল ফোন মেমোরি থেকে এক্সটার্নাল মেমোরিতে স্থানান্তর করে।





